চট্টগ্রামে আসন্ন কোরবানিতে শতাধিক পশুর হাট বসবে। তবে করোনা সংক্রমণের সময়ে এ হাটের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিয়ে তৈরি হয়েছে আশঙ্কা। চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণের অবনতির সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা আসন্ন কোরবানির পশুর হাট ঘিরে। হাটগুলোতে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে কোরবানির পশুর হাট করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘিরে চট্টগ্রামে জমে উঠতে শুরু করেছে পশুর হাট। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় সাতটি এবং ১৪ উপজেলায় শতাধিক পশুর হাট বসছে। এখন হাটগুলোতে লোক সমাগম কম হলেও দু-একদিনের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে এসব পশুর হাটে কেনা-বেচা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজার বসানোর কথা বলা হলেও পশুর বাজারে তা কতটুকু নিশ্চিত করা যাবে এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এবার পবিত্র ঈদুল আজহায় চারটি অস্থায়ী পশুর হাট বাড়াতে চায়। স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ১১টি স্থানে পশুর হাট ইজারা দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে সিটি করপোরেশন। এসব পশুর হাট বসানোর জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমোদন চেয়েছে সংস্থাটি।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নগরীর সাতটিসহ চট্টগ্রামে এবার শতাধিক হাট বসার কথা। এসব হাটের জন্য অন্তত ৩০টি ভেটেরিনারি চিকিৎসক টিম তৈরি থাকবে। তবে এখানে সুবিধা হলো, নির্দিষ্ট এলাকায় সপ্তাহে একদিন হাট বসবে। সেই হিসাবে চট্টগ্রামে দিনে গড়ে ১০-১২টির অধিক হাট বসবে না।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আব্দুর রব বণিক বার্তাকে বলেন, চট্টগ্রাম এখন ভয়াবহ করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার তো চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ প্রথমবারের মতো এক হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে প্রতিদিন। সেখানে এ মহামারীর সময়ে আমাদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় কোরবানির পশুর হাট। পশুর হাটগুলোতে চাইলেও কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সম্ভব হবে সেটা নিয়ে আমরা শঙ্কিত।










