উত্তাল পদ্মায় স্রোতের কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচলে ধীরগতি দেখা গিয়েছে। ফলে গন্তব্যে যেতে অন্যান্য সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ সময় ব্যয় করতে হচ্ছে পরিবহন চালকদের। এছাড়া শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি পারাপার বন্ধ থাকায় ওই নৌরুটের যানবাহন চলে এসেছে এই পথে। এতে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে আজ শুক্রবার ভোররাত থেকেই পাটুরিয়ায় যানজট তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের প্রায় ৪ কিলোমিটার ও গোয়ালন্দ মোড়ের সড়কে প্রায় দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত সড়কে যানবাহনের সারি দেখা গেছে। 

একই অবস্থা পাটুরিয়া ঘাটেও। এ ঘাটে আটকে পড়েছে তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাকসহ শতাধিক বাস, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস। ট্রাকের লাইন ঘাট এলাকা থেকে মহাসড়কের তিন থেকে চার কিলোমিটার পর্যন্ত ছাড়িয়েছে। প্রতিটি যানবাহন ফেরি পার হতে ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা সেক্টরের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) শেখ শাহ নেওয়াজ জানান, পদ্মায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবল স্রোত তৈরি হয়েছে। এতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফেরিগুলো পল্টুনে ভিড়তে সময় বেশি লাগছে। এছাড়া শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট দিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ওই নৌরুটের অতিরিক্ত যানবাহন এ পথে চলে এসেছে। এতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। ঘাট এলাকায় পারের অপেক্ষায় চার শতাধিক যানবাহন আটকে পড়েছে।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাসগুলো পারাপারের ব্যবস্থা করায় পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এ নৌরুটে ২১ ফেরি থাকলেও তীব্র স্রোতের কারণে সবগুলো ফেরি চলাচল করতে পারছে না। ১৭ থেকে ১৮টি ফেরি দিয়ে পারাপার করানো হচ্ছে।