সরবরাহ বাড়ায় একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১৫-২০ টাকা। একদিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকায়। সরবরাহের এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবং আমদানি শুরু হলে দাম আরো কমে আসবে বলে দাবি বিক্রেতাদের।

হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা আব্দুল লতিফ বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম কয়েকদিন ধরেই ওঠানামা করছে। কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে। আমরা যে পেঁয়াজ গত সপ্তাহে ৬০-৬৫ টাকা কেজিদরে কিনেছিলাম। সেই পেঁয়াজ হঠাৎ করে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। সরকার আমদানির অনুমতির কথা বলায় কেজিতে ১০ টাকা কমেছিল। তবে দুদিন পরই দাম আবারো ১০০ টাকায় উঠে যায়। এগুলো ব্যবসায়ীদের কারসাজি ছাড়া আর কিছুই না। বাজারে তো পেঁয়াজ আছেই, তার পরও দাম কেন বাড়ছে। আবার আমদানির কথা শুনে দাম কমাচ্ছে। একদিন আগে যে পেঁয়াজ কিনলাম ১০০ টাকা কেজিদরে, সেই পেঁয়াজ এখন ৮০-৮৫ টাকায় নেমেছে। তবে এখনো যে দাম রয়েছে তা আমাদের নাগালের বাইরে। বাড়তি দামের কারণে চাহিদার তুলনায় কম কিনতে হচ্ছে।’

পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত বলেন, ‘দেশীয় পেঁয়াজের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় হঠাৎ করেই সরবরাহ কমে যায়। এজন্য দাম বেড়েছে। মোকামে প্রতিদিন পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৫-১০ টাকা করে বাড়ছিল। কিছুদিন আগে আমরা ৬০-৬৫ টাকা কেজিদরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। কয়েক দফায় দাম বেড়ে ১০০ টাকায় দাঁড়িয়েছিল। সম্প্রতি সরকার পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতি দেয়ার কথা জানিয়েছে। কৃষক কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় মোকামে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও আমদানির অনুমতি না দেয়ায় আবারো দাম বাড়তে শুরু করে। সম্প্রতি আবারো সরকার আমদানির অনুমতি দেয়ার কথা জানায়। এতে কৃষকের কাছে থাকা পেঁয়াজ কম দামে বিক্রি করছেন। একই সঙ্গে মজুদদাররা প্রশাসনের অভিযানের ফলে মজুদ করা পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি করছেন। এ অবস্থায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। দামও কমতে শুরু করেছে। এছাড়া নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় পুরনো পেঁয়াজের চাহিদা কিছুটা কমেছে।’