চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের পাশাপাশি বড় বড় পাঙাশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় জেলেরা এখন দিন ও রাতে পদ্মা-মেঘনায় মাছ শিকারে ব্যস্ত। কারণ আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর—এ ২২ দিন অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।
সদর উপজেলার পালবাজার, বিপণীবাগ, হরিণা ইলিশের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশের পাশাপাশি পাঙাশও কেনাবেচা হচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪৫০-১ হাজার ৫০০ টাকায়। আর পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০০-৮০০ টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশ খুব কমই পাওয়া যাচ্ছে। যারা গুল্টি জাল দিয়ে ইলিশ ধরেন, তাদের জালে ছোট থেকে শুরু করে বড় সাইজের ইলিশ ও পাঙাশ পাওয়া যাচ্ছে। প্রত্যেক জেলেই কম-বেশি পাঙাশ পাচ্ছেন। চাঁদপুরে ইলিশের পাশাপাশি নদীর পাঙাশের চাহিদাও বেশ।
ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম সৈয়াল বলেন, ‘বৃষ্টিতে নদীতে পানি বেড়েছে। সাগর উত্তাল থাকায় অনেক জেলে নিরাপদে চলে এসেছেন। ঠিক এই সময় কিছু ইলিশ বিপরীতে অর্থাৎ সাগর থেকে নদীতে উজানের দিকে আসছে। এজন্য কিছু ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। যদিও এটি আমার দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।’
সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টি ও নদীতে পানি বাড়লে পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশের বিচরণও বাড়ে। তবে আমরা এখন মা-ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার কাজ নিয়ে ব্যস্ত।’










