এর মধ্যে তিন শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি দুই শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রাত্যহিক প্রতিবেদনে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ হিসাব বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১১৫ শিশু। হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৭ শিশুর।
হামে যে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে দুই শিশু বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলার, একটি ঢাকা বিভাগের। হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া দুই শিশুই ঢাকা বিভাগের। এ সময় সর্বোচ্চ ১২০ শিশুর হাম শনাক্ত হয় ঢাকা বিভাগে। পাঁচ শিশুর হাম শনাক্ত হয় রাজশাহী বিভাগে। বরিশাল ও খুলনায় একটি করে শিশুর হাম শনাক্ত হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরো জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে ১ হাজার ১১৫ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। এর মধ্যে ৫১৫ জনই ঢাকা বিভাগের। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৬৯ শিশু। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৫৭ শিশু ভর্তি হয়। সবচেয়ে কম চার শিশু ভর্তি হয় রংপুর বিভাগে। এছাড়া এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৭৪৭ শিশু হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩১৩ শিশু, খুলনা বিভাগে ১১৮ শিশু।
তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত হামে মোট ৩৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭৪ শিশুর। একই সময় হামের উপসর্গ থাকা রোগীর মোট সংখ্যা ২১ হাজার ৪৬৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৮৯৮। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ১৯২ জনের হাম শনাক্ত হয়। হাসপাতাল থেকে ছাড় পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৪৩।










