আর ফ্লাইপাস্টের জন্য সকাল ১০টা ৩৫ মিনিট থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নোটাম (আকাশসীমা ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ) জারি করা হয়। তবে এ বিধিনিষেধের মধ্যেই বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত আকাশ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের লন্ডনগামী একটি ফ্লাইট।
বিমানবন্দরের একটি সূত্র বণিক বার্তাকে জানিয়েছে, ঢাকা থেকে লন্ডনের উদ্দেশে বিমানের বিজি ৩০১ নম্বর ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার বেলা ১০টা ৫ মিনিটে উড্ডয়নের কথা ছিল। অন্যদিকে ফ্লাইপাস্টের জন্য বিমানবন্দরে নোটাম জারি করা হয় ১০টা ৩৫ মিনিট থেকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিমানের ফ্লাইটটি ছাড়তে ব্যর্থ হয় এবং ফ্লাইটটি নোটামের মধ্যে পড়ে যায়।
সূত্রটি আরো জানিয়েছে, নোটামের কারণে বিমানের লন্ডনগামী ফ্লাইটটি ঢাকা বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় আটকে থাকার শঙ্কা তৈরি হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের দুর্ভোগ এড়াতে বিমান বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে ফ্লাইটটি উড্ডয়নের ব্যবস্থা করেন শাহজালাল বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইট রাডার ২৪’-এর তথ্য বলছে, বৃহস্পতিবার বেলা ১০টা ৪৯ মিনিটে বিজি ৩০১ নম্বর ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করে। নোটামের মধ্যে বিমানের ফ্লাইট উড্ডয়ন করার কারণে স্বাধীনতা দিবসের ফ্লাইপাস্টের সময়সূচি বিঘ্নিত হয় বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা।
ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে চাইলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিমানের ফ্লাইট বিলম্বের বিষয়টি আমরা বেবিচককে (বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ) আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। আমরা যদি বিশেষ ব্যবস্থায় ফ্লাইটটি উড্ডয়নের ব্যবস্থা না করতাম, তাহলে সেই ফ্লাইটের যাত্রীরা প্রায় ২ ঘণ্টা ঢাকা বিমানবন্দরে আটকা পড়তেন এবং লন্ডন বিমানবন্দরে গিয়েও তারা দুর্ভোগে পড়তেন।’
যদিও বিমানের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, লন্ডনগামী ফ্লাইট যখন ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করে, তখন বিমানবন্দরে কোনো বিধিনিষেধ ছিল না। এ প্রসঙ্গে সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সিভিল এভিয়েশন অথরিটির অনুমতি নিয়েই ফ্লাইটটি উড্ডয়ন করেছে।’










