ব্যস্ততম ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের নগরীর কাশিপুর পোস্ট অফিস থেকে গড়িয়ারপাড় রেইন্ট্রিতলা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। এসব উচ্ছেদে কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় দখলদাররা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এখন তারা মহাসড়কঘেঁষেই অবৈধ দোকান ও নিরাপত্তা দেয়াল নির্মাণ করছে।
গতকাল দুপুরে সরজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের কাশিপুর চৌমাথা বাজারের এক পাশের কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে সড়কের অন্যপাশে গড়ে উঠেছে নতুন অবৈধ স্থাপনা। কাশিপুর চৌমাথাসংলগ্ন জননী অক্সিজেন শপের কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে দখল করে এখন মহাসড়কঘেঁষেই নিরাপত্তা দেয়াল তৈরি করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সম্প্রতি বরিশাল সিটি করপোরেশন কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও তা ছিল সীমিত। অথচ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ থেকেই এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার কথা ছিল। স্থানীয়রা বলছেন, অথচ এ বিষয়ে সওজের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা ‘রহস্যময়’। দীর্ঘদিন ধরেই এসব স্থাপনা উচ্ছেদে কোনো অভিযান চালাচ্ছে না তারা। ফলে অবৈধ দখলদাররা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
পরিবহনচালকরা বলছেন, এমনিতেই সবসময় মহাসড়কে ছোট-বড় যানবাহনের চাপ থাকে। তার ওপর মহাসড়কঘেঁষে জননী অক্সিজেন শপের তৈরি দেয়ালের ওই অংশ দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ও যানজট লেগে থাকে। একজন চালক বলেন, ‘আমার মাথায় আসে না, একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে মহাসড়কঘেঁষে নিরাপত্তা দেয়াল নির্মাণ করতে পারে; আর সওজ কর্মকর্তারাই কীভাবে এ বিষয়ে চুপ থাকতে পারেন!’
বরিশাল সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মহাসড়কে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ আমাদের পরিকল্পনায় আছে। আগামী মাসে আমরা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করব। দখলদার যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’










