কাজের খোঁজে মালয়েশিয়ায় যাওয়া বাংলাদেশীদের কাজ না পাওয়ার বিষয়টি প্রকট রূপ নিয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি অভিবাসন ব্যয়। এসব সমস্যার সমাধানে দুই দেশের সরকারকে যৌথভাবে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটি ফর মাইগ্রেন্টস (বিসিএসএম)। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় অভিবাসী কর্মীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা ২৩ সংগঠনের জোট বিসিএসএম। 

বিসিএসএমের চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী এবং কো-চেয়ার সৈয়দ সাইফুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের পর থেকে যেসব বাংলাদেশী কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া গেছেন তাদের একাংশের দুর্ভোগ কয়েক মাস ধরে উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে যেসব দুর্ভোগের আশঙ্কা করা হয়েছিল তা-ই ঘটেছে। 

বাংলাদেশের সিন্ডিকেটভুক্ত কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ার এমন কিছু কোম্পানিতে কর্মী পাঠিয়েছে যাদের কর্মী নিয়োগের ক্ষমতা নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বাস্তবে ওই নামের কোনো কোম্পানিরও অস্তিত্ব নেই। এছাড়া হাজার হাজার বাংলাদেশী কর্মী মালয়েশিয়া যেতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে লাখ লাখ টাকা দিয়ে রেখেছে। কলিং ভিসা নিয়ে ভিসা স্ট্যাম্পিং, ই-ভিসার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশী দূতাবাসের শ্রম উইংকে আরো সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে বিসিএসএম।