মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখানে হাউজিং ব্যবসার দ্বন্দ্বে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলসহ পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান ভাংচুর করা হয়। উপজেলার বালুরচর ইউনিয়নের খাসকান্দি বেগমবাজারে গতকাল বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এ ঘটনায় দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় হাউজিং ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নুজহা সিটির আলী ইসলাম ও দক্ষিণা গ্রিন সিটি প্রকল্পের সুমন মিয়া গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল।
গতকাল সকালে ইউনিয়নটির খাসকান্দি এলাকায় দক্ষিণা গ্রিন সিটির একটি স্থাপনা ভেকু দিয়ে ভেঙে ফেলে নুজহা সিটির আলী ইসলাম গ্রুপের লোকজন। এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। বেলা ১১টার দিকে বালুরচর ইউনিয়নের বেগমবাজার এলাকায় টেঁটাসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। ভাংচুর চালানো হয় কয়েকটি ঘরবাড়ি, তিনটি মোটরসাইকেলসহ পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান। এতে আহত হন তিন পুলিশ সদস্যসহ দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন। পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় কয়েক শতাধিক টেঁটা ও বেশ কয়েকটি ধারালো অস্ত্র। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়।
এ বিষয়ে সিরাজদীখান থানার ওসি একেএম মিজানুর হক জানান, হাউজিং ব্যবসাকে ঘিরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় আটক হয়েছে চারজন।










