পঞ্চগড়ে আবারো নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২৬ জন বাংলাদেশীকে পুশ ইন করেছে বিএসএফ। সোমবার (২ জুন) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার শিংরোড ও ঘাগড়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তাদের ঠেলে দেয় বিএসএফ। পরে তাদের বিজিবি আটক করে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে আটককৃতদের পঞ্চগড় সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এদের মধ্যে পুরুষ সাতজন, নারী নয়জন আর দশজন শিশু। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ি উপজেলায়।
এদের মধ্যে নাগেশ্বরী উপজেলার মো. আবু তালেব (৫৫), মোছা. হাসিনা বেগম (৪০), মো. হাসেন আলী (২৯), মো. হোসেন আলী (২৫), মো. আরিফুল আলী (২১), মো. আলমগীর (০৯), মোছা. মিনারা বেগম (২৫), মোছা. রিনা বেগম (২৩), মোছা. জুই (১৮), মো. মেহেদী হাসান মেরাজ (০৭), মোছাঃ লামিয়া (১৮ মাস), মো. রিয়াজ আলী (০৭), মো. মমিনুল ইসলাম (৩৫), মোছাঃ রাশেদা বেগম (৩০), মোছা. মিনা খাতুন (১০), মোছা. মিম খাতুন (০৭), মোছা. মনি খাতুন (০৪)। একই জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার মো. ফরিদ হোসেন (৩৫), মো. আশরাফ ইসলাম (২৭), মো. রানি বেগম (২০), মো. নয়ন (০৪), মো. রাশিদুল ইসলাম (১০), মো. আরজিনা (২০), মোছা. আতুরবান (৪৫), মোছা. রসনা বেগম (৩০), মো. হাসান মিয়া(১০)।

বিজিবি জানায় সোমবার দিবাগত রাতে ভারতের ৯৩ কৈলাশ বিএসএফ সদর উপজেলার শিংরোড বিওপির এলাকার সীমান্ত পিলার ৭৬৪/২৪ এস থেকে দুই কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের খুনিপাড়া গ্রামে ১৭ জন নারী পুরুষকে ঠেলে দেন বিএসএফ সদস্যরা। এছাড়াও মঙ্গলবার সকালে ৫৩ টিয়াপাড়া বিএসএফ ৭৫৭/১০ পিলার হতে দুই কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার ঢাংগি বাজার এলাকায় বাকিদের ঠেলে দেয় বিএসএফ। পরে বিজিবির টহল দল তাদের আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ হিল জামান জানান, বিএসএফ’র মাধ্যমে পুশ ইন করা নারী পুরুষ শিশুসহ ২৬ ব্যাক্তিকে থানায় হস্তান্তর করেছেন। নাম ঠিকানা যাচাই করে প্রকৃত বাংলাদেশী কি না জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। যাচাই বাছাইয়ের পর তাদের নিকট স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আপাতত নিরাপত্তার জন্য শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে।










