গতকাল সকালে ঢাকায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে এ বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্র ইসলাম অমিত ছাড়া স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ, বেসামরিক বিমানমন্ত্রী আফরোজা খান, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ায়ও পড়েছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এরই মধ্যে দেশে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে বলে সরকার জানিয়েছে।
জ্বালানি নিয়ে বিশেষ বৈঠক ছাড়াও এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এটিএম শামসুল ইসলাম ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, রেশম শিল্পের আধুনিকায়নে করণীয় নির্ধারণে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।










