পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মায় জেগে ওঠা চরের জমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১০ জন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের লক্ষ্মীকুণ্ডা ডিগ্রির চরে এ ঘটনা ঘটে। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গুলিবিদ্ধরা হলেন উপজেলার চরকুরুলিয়া গ্রামের আকাত আলীর ছেলে পিল্লু (২৫), একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৬), আতিয়ারের ছেলে আসিফ (২০), চরগড়গড়ি গ্রামের হাবিবুল ইসলামের ছেলে সোয়াইল (২৪) এবং আলম (২৭)। তারা পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত ১০ জনের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের চরগরগড়ি গ্রামের রিকাত আলী শেখ স্বজনদের নিয়ে সরকার কাছ থেকে লিজ নেয়া চরের জমি দেখতে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করছিল কুষ্টিয়ার মুকুল মেম্বারের লোকজন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ‘সকালে রিকাত আলী শেখ ও তার স্বজন এবং এলাকাবাসী চরের জমি নিজেদের দখলে নিতে যান। সেখানে যাওয়া মাত্রই কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মুকুল মেম্বারের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে গুলির ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া আরো ১০ জন আহত হন।’
রিকাত আলী শেখ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ নেতা মুকুল মেম্বার ও তরিকুল মেম্বাররা চরের জমি অবৈধভাবে চাষাবাদ করে আসছিলেন। আমরা লিজ নেয়ার পরও জমিতে যেতে পারতাম না। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মুকুল মেম্বার ও তার লোকজন চরাঞ্চলে আত্মগোপনে থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। মুকুল বাহিনীর লোকজন আমাদের একটি মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে।’










