দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একদিনেই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাঁচটি ট্রাকে ৪৮ টনের বেশি মরিচ আমদানি হয়েছে। পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় কেজিতে দাম কমেছে ১৬০ টাকা করে। বর্তমানে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা। কয়েকদিন আগেও প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ২৮০ টাকা।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে বন্দর দিয়ে দুটি ট্রাকে ১০ টনের বেশি মরিচ আমদানি হয়েছিল। তবে সেদিন বন্দরে আমদানীকৃত কাঁচামরিচ বিক্রি হয়নি। সেগুলো ঢাকায় বিক্রি হয়েছিল ২৮০ টাকা কেজি দরে।
হিলি স্থলবন্দরে কাঁচামরিচ কিনতে আসা পাইকার আব্দুস সালাম বলেন, ‘দেশীয় মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে আমদানীকৃত মরিচ ক্রয় করতে হিলি স্থলবন্দরে এসেছি। গত বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে মাত্র দুই ট্রাক মরিচ আমদানি হয়েছিল। সেদিন বন্দরে মরিচ বিক্রি করেননি আমদানিকারকরা। গতকাল দ্বিতীয় দিনে পাঁচ ট্রাক মরিচ আমদানি হয়েছে। সেই সঙ্গে দামও কমেছে।’
আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে মরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দামও বাড়তে থাকে। এ অবস্থায় সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। প্রায় আট মাস বন্ধের পর বৃহস্পতিবার থেকে মরিচ আমদানি শুরু করেন আমদানিকারকরা। ভারতের বিহার প্রদেশের কাটিহার অঞ্চল থেকে এসব মরিচ আমদানি করা হচ্ছে। ভারতে প্রতি কেজি মরিচ আমাদের কিনতে হচ্ছে ৮০ রুপিতে। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ ১০ রুপি মিলিয়ে ৯০ রুপি পড়ছে। দেশে প্রতি কেজিতে শুল্ক দিতে হচ্ছে ৩৭ টাকার মতো। শুল্কের পরিমাণ কমানো হলে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম আরো কমে আসবে।’










