চট্টগ্রামের
মিরসরাইয়ে ১১টি ইউনিয়নে নির্মাণ করা হচ্ছে কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার। কৃষকের উৎপাদিত পণ্য এখানে বাছাই, একত্রীকরণ ও সরাসরি বাজারজাত
করা হবে। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে এসএসিপি প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি সেন্টার নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮৫
হাজার টাকা। যার অর্ধেক দেবে কৃষি অধিদপ্তর ও বাকি অর্ধেক
দেবে কৃষক। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে মধ্যস্বত্বভোগী থাকবেন না। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্যও নিশ্চিত হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
মিরসরাই কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার করেরহাট, হিঙ্গুলী, জোরারগঞ্জ, ওসমানপুর, দুর্গাপুর, মিরসরাই সদর, মিঠানালা, মঘাদিয়া, খৈয়াছরা, মায়ানি ও হাইদকান্দি ইউনিয়নে কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে জোরারগঞ্জ, দুর্গাপুর ও খৈয়াছড়া ইউনিয়নে কমন সেন্টার নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এসএসিপি প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি কমন সেন্টার নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। যার অর্ধেক দেবে কৃষি অধিদপ্তর ও বাকি অর্ধেক দেবে কৃষক। ১২-১৫ ফুট আয়তনের এসব ঘর নির্মাণে ব্যবহার হবে টিন, কাঠ ও ইট। ঘরের ছাউনিতে ব্যবহৃত হবে কাঠ ও টিন। বেড়া হিসেবে দেয়া হবে কাঠ, টিন। এছাড়া ফ্লোর ও বেড়ার দুই হাত পর্যন্ত পাকা করে দেয়া হবে। একজন কৃষক চাইলে কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টারে উৎপাদিত পণ্য এনে সরাসরি পাইকারের কাছে বিক্রি করতে পারবে। এতে ফড়িয়াদের কবল থেকে রক্ষা পাবেন কৃষক।
উপজেলার খৈয়াছড়ি ইউনিয়নের কৃষক শাহ ইমরান সেলিম বলেন, ‘কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতায় খৈয়াছরা ইউনিয়নে আমি একটি কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার নির্মাণ করেছি। এতে ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। কৃষি অধিদপ্তর ২ লাখ টাকা দিয়েছে। বাকি ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আমি দিয়েছে। এখন আমার ও অন্য কৃষকদের উৎপাদিত সবজি এ ঘরে সংরক্ষণ করতে পারি। পরে পাইকাররা এখান থেকে এসে সবজিগুলো নিয়ে যান।’
এ ব্যাপারে মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়নে ২৫ জনের কৃষক গ্রুপ রয়েছে। এসব কৃষক গ্রুপকে ঘর দেয়া হচ্ছে। কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার নির্মাণের মূল লক্ষ্য কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যাযমূল্য নিশ্চিত করা।’










