বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন বন্ধে তরুণ সমাজকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। এ সরকার বাংলাদেশের মানুষকে জ্বালিয়ে শেষ করে দিয়েছে। নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। নতুন নির্বাচনের মধ্যে নতুন সরকার গঠন করতে হবে।’
গতকাল খুলনায় তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এক দফা এক দাবি বাস্তবায়ন না হলে রাজপথেই ফয়সালা হবে।’ গতকাল বিকালে সোনালী ব্যাংক চত্বরে এ সমাবেশ হয়।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে তরুণ প্রজন্মকেও জাগ্রত করতে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদল এ সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হয়। চেয়ার দুটিতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি রাখা ছিল। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘লুটেরাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির আন্দোলনই হলো তারুণ্যের সমাবেশ। ঢাকায় সমাবেশ হবে ২২ জুলাই। এ সরকার রাজনৈতিক দেউলিয়া হয়ে গেছে। হিরো আলমেও ভীত। হিরো আলম ভোট কেন্দ্রে গেলে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বের করে দিয়ে মাটিতে ফেলে মারধর করে। এরাই চিৎকার করে বলে গণতন্ত্র নাকি তাদের হাতেই নিরাপদ।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। প্রধান বক্তা ছিলেন যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বক্তৃতা করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, খুলনা নগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা, খুলনা জেলার আহ্বায়ক আমির এজাজ খান প্রমুখ।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকারি চাকরি আওয়ামী লীগের লোকেরাই পায়। বিএনপির নাম-গন্ধ আছে এমন লোক চাকরি পায় না। স্বাস্থ্যসেবা বলতে কিছু নেই। হাসপাতালে হাসপাতালে মানুষ কাতরাচ্ছে।’










