সিরাজগঞ্জে চলতি মৌসুমে খিরার আবাদ বেড়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় ৬৬৬ হেক্টর জমিতে খিরা আবাদ হয়েছে। গত বছর চাষ হয়েছিল ৫৯১ হেক্টরে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ মৌসুমে উন্নত জাতের খিরার ফলনও ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। দামও ভালো পাচ্ছেন তারা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তাড়াশ ও উল্লাপাড়া উপজেলায় উৎপাদিত খিরাকে কেন্দ্র করে মৌসুমি পাইকারি হাট বসেছে ১৫টি স্থানে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব আড়ত থেকে প্রতিদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলার দিঘড়িয়া গ্রামের কৃষক জফের আলী বলেন, ‘গত বছর ১০ শতক জমিতে আগাম জাতের খিরা চাষ করেছিলাম। বেশ ভালো মুনাফা হয়েছিল। এবার ২৫ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে, দামও ভালোই পাচ্ছি।’
উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া গ্রামের বাবর আলী বলেন, ‘এবার আড়াই বিঘা জমিতে খিরা চাষ করেছি। এরই মধ্যে বিক্রি শুরু করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১০০ মণ খিরা উৎপাদন হবে বলে আশা করছি। পাইকারি ৯০০-১২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।’
উল্লাপাড়া উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের চরবর্দ্ধনগাছা খিরার হাটের আড়তদার ফজলুল করিম বলেন, ‘এবার খিরার দ্বিগুণ ফলন হয়েছে। প্রতিদিন হাটে ব্যাপক খিরা সরবরাহ হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এসে খিরা ক্রয় করছেন। চাহিদা থাকায় ভালো দামও পাচ্ছেন কৃষক।’
সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মশকর আলী বলেন, ‘জেলায় এবার ৬৬৬ হেক্টর জমিতে খিরা আবাদ হয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ৭৫ হেক্টর জমিতে খিরা বেশি চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ মৌসুমে ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকও ভালো দাম পাচ্ছেন।’










