ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর থেকেই বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টি ঝরছে। ভারতের ওড়িশার উপকূল এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে বাসিন্দাদের। প্রস্তুত বাংলাদেশ সরকারের দুযোর্গ মন্ত্রণালয়ও।
যদিও এরই মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিফ্রিংয়ে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় দানায় তেমন ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই বাংলাদেশে। আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় দানা এখন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। তবে এ ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের সমতলে আসার আশঙ্কা নেই। মধ্যরাতে ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানবে।’
এদিকে বঙ্গোপসাগরে উদ্ভূত প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টির আগমন এবং তার জেরে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তৎপরতা শুরু করেছে ওড়িশার রাজ্য সরকার। রাজ্যের ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১০ লাখ ৬০ হাজার ৩৩৬ জন মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় দানা শেষ না হতেই নতুন ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আসছে নভেম্বর মাসে ‘ফেঙ্গাল’ নামে একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মূলত বাংলাদেশে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে দুই থেকে তিনটি ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে। ঘূর্ণিঝড় দানার আশঙ্কা এক মাস আগেই করেছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। এখন সেটা বাস্তবে পরিণত হলো। সে ধারাবাহিকতায় এবার ঘূর্ণিঝড় ফেঙ্গালের দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
২০০৪ সালে ভারত মহাসাগর অঞ্চলের জন্য ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে একটি কমিটি করা হয়। ৮টি দেশ নিয়ে তখন একটি কমিটি গঠন করা হয়। দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলংকা এবং থাইল্যান্ড। পরে ২০১৯ সালে নামকরণ কমিটিতে ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন যুক্ত হয়।
দানা নামটি দিয়েছে কাতার। আর ফেঙ্গাল নামটি সৌদি আরবের দেয়া।









