জয়পুরহাটের কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলা থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে কালাই উপজেলার দুধাইল গ্রামে নিজ ঘর থেকে শিপন বেগম (৪২) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা ও ক্ষেতলাল উপজেলার শিবপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মঈনুদ্দীন ও ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রওশন ইয়াজদানী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালাই উপজেলার দুধাইল গ্রামের তোজাম হোসেনের স্ত্রী শিপন বেগম শুক্রবার রাতে তার ছোট ছেলেকে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। দিবাগত রাত ৩টার দিকে ছেলের চিত্কারে প্রতিবেশী ও তোজামের শ্যালক শাহজাহান আলী তার দুলাভাইয়ের বাড়ি গিয়ে বোনের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। শাহজাহান আলী তার চাচাতো ভাই উদয়পুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাদশা মিয়াকে জানান। বাদশা মিয়া রাতেই থানা-পুলিশকে ঘটনাটি জানান। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ এ ঘটনায় নিহতের স্বামীসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। এ সময় বাড়ি থেকে হত্যার কাজে ব্যবহূত ছুরিটি জব্দ করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে ক্ষেতলাল উপজেলার শিবপুর গ্রামের সেপটিক ট্যাংক থেকে বিউটি বেগম (৩৫) নামের এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই এলাকার প্রবাসী শাহ আলমের ছেলে উজ্জ্বল হোসেনকে (২১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরকীয়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।