আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘মঞ্চে গেলে দেখি, মঞ্চটা নেতায় পুরো ভরে গেছে। বাংলাদেশ নেতা উৎপাদনের একটা উৎপাদনশীল কারখানায় পরিণত হয়েছে। কেউ কর্মী হতেই চায় না, সবাই নেতা।’

গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ঢাকা ইউনিভার্সিটি পলিটিক্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুপডা) বার্ষিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতিকে দুর্নামের ধারা থেকে বের করে আনতে চাই। ঐতিহ্যবাহী এ রাজনীতির সুনাম ধারা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। কোথায় যেন তলিয়ে গেছে! ছাত্রনেতাদের বলব, ছাত্ররাজনীতিকে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য লিডারশিপকে স্মার্ট ও আকর্ষণীয় হতে হবে। স্মার্ট মানে সুন্দর পোশাক পরা না; সাধারণ পোশাক পরেও স্মার্ট থাকা যায়। স্মার্টনেস চেতনায়, মনের ভেতর। চেতনায় থাকলে বাইরেও তার প্রকাশ ঘটবে।’

এ সময় ভর্তি বাণিজ্য, মনোনয়ন বাণিজ্য, সিট বাণিজ্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন ওবায়দুল কাদের। এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগ নেতৃত্বদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের নেত্রী অনেক আশা নিয়ে সাদ্দাম ও ইনানকে সেন্ট্রালে এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে শয়ন ও সৈকতকে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পছন্দ করেছেন। ঢাকা সিটির উত্তর-দক্ষিণেও আমরা কমিটি করেছি। সিভি দেখে, সবার সবকিছু দেখে অনেক আশা নিয়ে নেত্রী তোমাদের দায়িত্ব দিয়েছে। আমার শুধু একটাই চাওয়া, ছাত্ররাজনীতিকে সুনামের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ছাত্ররাজনীতিকে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। এটা যদি করতে পারো তোমরা সফল। তা না হলে সেই পুরনো বিষয়গুলো আবারো আমাদের হতাশ করবে।’

অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তি প্রদান করেন।