চলতি
২০২২-২৩ অর্থবছরের বাকি আছে আর সাড়ে তিন মাস। এ সময়ে নতুন করে কৃচ্ছ্রসাধনের
পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এর মাঝে বেশ কিছু কাটছাঁট রয়েছে উন্নয়ন
বাজেটে।
গতকাল
রোববার (১২ মার্চ) পরিপত্র জারি করে এ বিষয়ে
বিস্তারিত জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।
সেখানে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন অংশের বরাদ্দ শতভাগ ব্যয় করা যাবে।
তবে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ খাতে ৭৫ শতাংশ ও
জ্বালানি খাতে ৮০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে।
উন্নয়ন
বাজেটের আওতায় নতুন গাড়ি কেনা যাবে না এবং ‘সি’ ক্যাটাগরিভুক্ত প্রকল্পের অর্থছাড় পুনরাদেশ না দেওয়া
পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ও উন্নয়ন
বাজেটের ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য
হবে।
পরিপত্রে
আরো বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ খাতে (প্রশিক্ষণপ্রতিষ্ঠান ছাড়া) বরাদ্দকৃত
অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। এ ছাড়া উন্নয়ন বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন
কর্মসূচিভুক্ত নির্ধারিত ‘এ’ ক্যাটাগরি চিহ্নিত প্রকল্পে সরকারি অংশে বরাদ্দকৃত অর্থ
শতভাগ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরি চিহ্নিত প্রকল্পে
সরকারি অংশে বরাদ্দকৃত অর্থের ১৫ শতাংশ সংরক্ষিত রেখে ৮৫ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। ‘সি’ ক্যাটাগরিভুক্ত প্রকল্পের
অর্থছাড় পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
আপ্যায়ন, প্রশিক্ষণ, ভ্রমণ ও
অন্যান্য মনিহারি যেমন কম্পিউটার
ও আনুষঙ্গিক বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ও আসবাব খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহার করা যাবে
সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ। উন্নয়ন বাজেটে নতুন বা প্রতিস্থাপক হিসেবে সব ধরনের যানবাহন
ক্রয়,
যেমন মোটরযান, জলযান ও আকাশযান বন্ধ থাকবে।
এদিকে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরি–নির্বিশেষে যেসব প্রকল্প
২০২২-২৩ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২০২৩ সালের ৩০ জুন
তারিখে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত এবং কোনোক্রমেই মেয়াদ বৃদ্ধির অবকাশ নেই, সেসব প্রকল্পের ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করা যাবে, উন্নয়ন বাজেটের অধীনে শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে না।










