ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার দিঘিরপাড় খালপাড় এলাকায় ক্যাবল ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা।  আহতরা হলেন, ক্যাবল ব্যবসায়ী রাশেদুল ইসলাম ও অলিউর রহমান অলি। 

নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে ঘটনাটি ঘটে। সংবাদ পেয়ে তাত্ক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে গিয়ে কাউকে পাইনি।  লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন। 

উপজেলার দিঘিরপাড় খালপাড় এলাকায় ক্যাবল ব্যবসায়ী রাশেদুল ইসলাম মারধর ও হামলার বিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. পলাশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।  তিনি বলেন নবাবগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা যুবলীগ নেতা অলিউর রহমান অলিকে (৩৮) কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে পলাশ বাহিনী।  শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার বকসনগর ইউনিয়নের খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা হয়।

আহত অলিউর রহমান ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে ও রাশেদুল ইসলাম একই গ্রামের মৃত ছকিল উদ্দিনের ছেলে। তারা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। 

হামলায় আহত ওই দুইজন ছাড়াও একই পক্ষের বকসনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মারুফ হোসেন মুকুল (৩৬), মো. শাকিল (৩০) ও ইমরান হোসেন (৩৩) আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।  তারা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়েছেন।

বকসনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মুকুল জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও আধিপত্য বিস্তারের জন্য এই হামলা হয়েছে।

অলিউর রহমান উপজেলা যুবলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও রাশেদ সহ-সম্পাদক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম।

অভিযোগের ব্যাপারে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছে তা সঠিক নয়। আমি ওই গ্রামের মুজাহার ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে তাকে দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হামলার বিষয়ে আমি নেতৃত্ব দেইনি। একটি চক্র আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করতে এসব মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে।