চাঁপুরের পদ্মা ও মেঘনায় ইলিশ মাছ শিকার শুরু হয়েছে। তবে আশানুরূপ মাছ মিলছে না। শহরের ঐতিহ্যবাহী মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বড় স্টেশনের আড়তগুলোতে মাছ উঠেছে খুবই কম। জালে মাছ না আসায় হতাশ আড়তদার ও জেলেরা।

বড় স্টেশন আরো ঘুরে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা শেষের প্রথম দিনে ১২০ মণ ইলিশ উঠেছে প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বড় স্টেশনের আড়তগুলোতে। বিগত বছরে এ সময়ে ৪০০ থেকে ৫০০ মণ ইলিশ সরবরাহ হতো। যদিও জেলে, ব্যবসায়ী, ক্রেতাদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠেছে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি।

এদিন ইলিশ মাছের দামও ছিল বেশি। ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের মাছের কেজি ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছের দাম ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক কেজি ওজনের ৩২০০ থেকে ৩০০০ টাকায় মাছ বিক্রি হচ্ছে। ভিড় থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় অনেকে খালি হাতে ফিরছে বাড়িতে।

গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া দুই মাসের এই নিষেধাজ্ঞা বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মধ্যরাতে শেষ হয়। সরকারি এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পরই নতুন আশায় নদীর জলে নামেন চাঁদপুরের উত্তরের ষাটনল থেকে দক্ষিণের চরভৈরবী পর্যন্ত এলাকার শত শত জেলে। তবে বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় শুরুতে হতাশা দেখা দিয়েছে । শুক্রবার সকাল থেকেই চাঁদপুরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাটকা বড় হয়ে ইলিশে পরিণত হলেও এখন নদীতে ইলিশ খুব একটা পাওয়া যাবে না। মূলত বর্ষা মৌসুম শুরু হলে নদীতে ইলিশের দেখা মিলবে। তবে বর্তমানে ইলিশ না পাওয়া গেলেও অন্যান্য প্রজাতির কিছু মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে।