গতকাল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নির্বাহী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুও উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া ও ভৌগোলিক অবস্থান কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিপণ্যের রফতানি বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর সুযোগ রয়েছে।’
সয়াবিন চাষের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের চর ও দ্বীপাঞ্চলে সয়াবিনের আবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এজন্য উন্নত প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ খাতেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের ঘাস উৎপাদন, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও রোগ প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষক ও ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহারেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’
দেশে একটি সার্টিফায়েড অর্গানিক ফার্ম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ইউএসডিএ সার্টিফায়েড অর্গানিক খাদ্য রফতানির লক্ষ্যেও কাজ করা হচ্ছে।’
মতবিনিময়কালে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তারা।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অতুল কেশপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










