পাটুরিয়া ঘাটে সকাল থেকে পারের অপেক্ষায় রয়েছে শত শত পন্যবাহী ট্রাক।দীর্ঘ লাইন পড়েছে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহনেরও। পদ্মায় প্রবল স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় ঘাটে এই পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। এ ছাড়া, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ওই পথের গাড়িগুলো পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে চলে আসায় দূর্ভোগ আরও বেড়েছে। ঘাটে প্রতিটি যাত্রীবাহী বাসকে পার হতে সময় লাগছে দেড় থেকে দুই ঘন্টা।
ঘাট কর্তৃপক্ষ, জরুরি পণ্য ও যাত্রীবাহী গাড়িকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে পার করার ফলে পাটুরিয়া ঘাটে আটকে পড়েছে অন্তত ৮ শ’র ওপর সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন আটকেপড়া ট্রাকের চালক ও সহযোগীরা।
শনিবার সকাল থেকেই দেখা যায়, পাটুরিয়া ঘাটের দুটি ট্রাক টার্মিনালে চার শতাধিক এবং ফেরিতে উঠতে লাইনে অপেক্ষমান আরো শতাধিকসহ ঘাট থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে মহাসড়কে আটকে রাখা হয়েছে তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাককে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিটিসি) আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক(বাণিজ্য) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, নদীর তীব্র স্রোতে ফেরি পারাপারের সময় বেশি লাগছে। এ কারণে ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে। এ ছাড়া, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ বন্ধ থাকায় ওই পথের গাড়িগুলো এই পথে আসার কারণে পাটুরিয়া ঘাটে গাড়ির চাপ বেড়ে গেছে। যাত্রী ভোগান্তির কথা চিন্তা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে। এ কারণে ঘাট এলাকায় সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক আটকে যাচ্ছে। ১৮টি ফেরির মধ্যে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে।










