ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি বরাদ্দে মুরগির ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে অবশিষ্ট টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি উপকারভোগীদের।৷
খামারিরা জানান, নারীদের সাবলম্বী করে এগিয়ে নিতে সরকারি অর্থায়নে দেশী মুরগির ঘর নির্মাণ করা হয়। নির্ধারিত নিয়মে মুরগির ঘর নিজে তৈরি করার কথা থাকলেও পারেননি খামারিরা। বরাদ্দের টাকা পাওয়ার পর খামারিদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া পিজিতে ৩০টি মুরগির ঘর তৈরি করা হয়েছে৷ ঘরগুলো তৈরিতে দুর্বল, ঘুণে ধরা কাঠের বাকল, পাতলা টিনসহ ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের উপকরণ। মুরগি রাখার আগে ভেঙে গেছে অনেক খামারির ঘরের মেঝে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) দেশী মুরগির ঘর নির্মাণে উপজেলায় ১১৪টি নারী খামারিদের জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়৷। বরাদ্দের টাকা গত জুনের আগেই খামারিদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।
ঘর পাওয়া বিলকিস বেগম বলেন, ‘নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে ঘর। এসব ঘর তৈরিতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘরগুলোর সংস্কার ও বাকি টাকা ফেরত দেয়ার দাবি জানাই।’
এ বিষয়ে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা হেমন্ত কুমার বলেন, ‘প্রকল্পটি আমাদের এক কর্মকর্তার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। মুরগির ঘর নির্মাণে আমরা তদারকি করছি৷। খামারিদের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’










