পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি বলেছেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাধিকার অর্জন। জাতির পিতা বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা উন্নয়নে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে পানির সুষ্ঠু ও টেকসই ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদে দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ মোকাবেলা করা এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রতি ইঞ্চি জমি মানুষের জীবন, জীবিকা ও বিনিয়োগ নিরাপদ করার স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু ৬০-এর দশকেও কারাগারে থাকার দিনগুলোয় এদেশের নদী ও পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার সম্পর্কে ভাবতেন, যা তার কারাগারের রোজনামচা বইয়ে দেখা যায়।’

গতকাল রাজধানীর পানি ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতার ম্যুরাল উদ্বোধন শেষে পানি ভবনের সভাকক্ষে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন’ বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের কারণে একাত্তরের মার্চ মাসের শুরুতেই বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অনিবার্য। তাই তিনি একাত্তরের ৭ মার্চ বাংলাদেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার ডাকেই আমরা যুদ্ধে গেছি। তার নামেই আমরা যুদ্ধ করেছি। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের মহানায়ক। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ কল্পনা করা যায় না। বঙ্গবন্ধু, বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ সমার্থক। তিনি আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক। মুক্তির দিশারি।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পানিসম্পদ সচিব নাজমুল আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার।