রাজধানী ঢাকার পাশেই দোহার উপজেলায় পদ্মার তীরের মৈনটঘাট এরই মধ্যে মিনি কক্সবাজার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এখান থেকে উপভোগ করা যায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য। ফলে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে পছন্দের পর্যটন স্পট হয়ে উঠছে এ মৈনটঘাট। সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়া হলে এলাকাটিকে আধুনিক পর্যটন পল্লী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

মৈনটঘাটের মূল আকর্ষণ পদ্মা নদীর সুবিশাল জলরাশি ও স্থানীয় জেলেদের ইলিশসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছ ধরার দৃশ্য। এখানে রয়েছে ট্রলার ও স্পিডবোটে নদীপথে ভ্রমণের সুযোগ। যেখানে এলে মনে হবে আপনি দোহার মৈনটঘাট নয়, রয়েছেন কক্সবাজার সৈকতে। তাই সারা দেশের পর্যটকরা এখন মৈনটকেই বলেন মিনি কক্সবাজার। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভ্রমণপিয়াসী মানুষের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে মৈনটঘাট।

এ বিষয়ে মৈনটঘাটের ইজারাদার আবুল কাশেম মেম্বার বলেন, সারা দেশে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন লোক আসছে এখানে। এছাড়া ফরিদপুর, রাজবাড়ীসহ মাদারীপুর জেলার অনেক মানুষ এ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। সরকারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একটু নেক নজরে স্থানটি হয়ে উঠতে পারে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা।

দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, মৈনটঘাট এলাকাটিকে একটি পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত সম্ভাবনাময় স্থানটিকে পর্যটন শিল্পের আওতায় আনতে পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (পর্যটন) ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, দোহারের মৈনটঘাটকে দর্শনীয় স্থানে রূপান্তর করতে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সার্বিক সহযোগিতা করা সম্ভব।