গত বৃহস্পতিবার জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আলোচনায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্য প্রাচ্যের ৭৪টি দেশের মুখপাত্র হিসেবে আইএলও-সহ জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার গণতন্ত্রায়ণের দাবি উত্থাপন করেছে।
শতাব্দী প্রাচীন সংস্থা আইএলওর গভর্নিং বডির অগণতান্ত্রিক ১০টি স্থায়ী সদস্যপদ বিলুপ্তি ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সব সদস্য নির্বাচনের জন্য আইনগত প্রক্রিয়া শুরুর জন্য ৭৪টি দেশের নেতা হিসেবে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জোর দাবি তুলে ধরে। ২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের পক্ষ হতে এ দাবির নানা আইনগত বিষয় তুলে ধরে এটি সংস্কারের জন্য আলোচনাকে এজেন্ডাভুক্ত করার দাবি জানানো হয় এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গভর্নিং বডির চলতি অধিবেশনে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ৪৩ বছর ধরে সংস্থাটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত না হয়েই ভোটাধিকারসহ নানা অধিকার ভোগ করতে থাকা দেশগুলোর তালিকা আইনগত উপায়ে পরিবর্তন করার জন্য প্রক্রিয়া শুরুর দাবি উত্থাপন করে। বাংলাদেশের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইএলওর ১৮৭টি দেশের মধ্যে ৭৪টি দেশ বাংলাদেশের দাবির প্রতি বৃহস্পতিবারের অধিবেশনে সমর্থন জানায়। দীর্ঘ আলোচনার পর বাংলাদেশের এ প্রস্তাব মালিক পক্ষ, শ্রমিক পক্ষ ও সব সরকারের সম্মতিতে গৃহীত হয়। স্থায়ী মিশনের পক্ষে কাউন্সেলর ফজলে লোহানী ৭৪টি দেশের মুখপাত্র হিসেবে বক্তব্য দেন।










