ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে পটুয়াখালী সেতুর টোলঘর এলাকা পরিণত হয়েছে পৌরসভার ভাগাড়ে। প্রতিদিন পৌর এলাকার ৪০-৫০ টন বর্জ্য ফেলা হচ্ছে এ মহাসড়কের পাশে। এছাড়া পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিদিনের বর্জ্যও ফেলা হচ্ছে এখানে। ফলে এ মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী, শিক্ষার্থী ও হাসপাতালের রোগীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। নাক-মুখ চেপে পার হতে হয় ময়লা ফেলা অংশটুকু। 

এছাড়া ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিনে আগুন দেয়ায় বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। বর্জ্য রাখায় সড়ক সংকুচিত হওয়ায় যান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। পটুয়াখালীর প্রবেশদ্বারে এ ভাগাড় দেখে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি কুয়াকাটায় আসা পর্যটকের মনে হচ্ছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। 

মহাসড়কের ওপর এভাবে প্রতিনিয়ত ময়লা-আবর্জনা ফেলায় চলাফেরায় কষ্টের কথা জানালেন পথচারী ও এলাকাবাসী।

এলাকার রিকশাচালক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, ‘‌নাক চেপে এ পথ দিয়ে চলাচল করতে হয়। রাতে দুর্গন্ধে ঘুমাইতে পারি না।’ 

গৃহিণী মাহিনুর বলেন, ‘ছেলেমেয়ে নিয়ে এ সড়ক দিয়ে দুর্গন্ধের কারণে যাতায়াত করতে পারি না। গন্ধে বমি চলে আসে। এটা কি ময়লা ফেলার কোনো জায়গা হলো।’

মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পৌরসভার ভিতরে ময়লা ফেলার তেমন কোনো জায়গা না থাকায় আপাতত ওই জায়গায় রাখা হচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এরই মধ্যে লোহায়িলায় জমি অধিগ্রহণ করে ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ডাম্পিং স্টেশন তৈরির কাজ চলমান। ডাম্পিং স্টেশনের নির্মাণকাজ এবং লোহালিয়া সেতুর কাজ শেষ হলে আমরা সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলব।