রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রার্থীদের দাবির মুখে ব্যালট নম্বর নির্ধারণসংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন। পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি পদের বিপরীতে ব্যালট নম্বর নির্ধারণ করা হয় লটারির মাধ্যমে। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে গতকাল বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে লটারির মাধ্যমে প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর দেয়া হয়। এর মাধ্যমে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
এর আগে কয়েকটি প্যানেলের নেতারা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ব্যালট নম্বর বরাদ্দের পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি তোলেন। পরে রাতে প্রার্থীদের দাবির মুখে কমিশনের এক জরুরি সভা বসে। সভায় প্রতিটি পদের বিপরীতে লটারির মাধ্যমে ব্যালট নম্বর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে রাকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য তৈরি করা হচ্ছে ১০২টি ইস্পাতের ব্যালট বাক্স। এক সপ্তাহের মধ্যেই এগুলো প্রস্তুত হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট গণনা করা হবে ইলেকট্রনিক মেশিনের মাধ্যমে। রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক নজরুল বলেন, ‘আমাদের ব্যালট পেপার ভাঁজ করা যাবে না। তাই যদি স্বচ্ছ বাক্স ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভোটাররা কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা বাইরে থেকে দেখা যাবে। এজন্যই ইস্পাতের বাক্স তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো ভবিষ্যতের নির্বাচনেও ব্যবহার করা যাবে।’
নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, ‘ভোট অবশ্যই ইলেকট্রনিক মেশিনে গণনা করা হবে। একাডেমিক ভবনগুলোতে ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই জানিয়ে দেয়া হবে, কোন হলের ভোট কোন একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ শেষে সবগুলো বাক্স একসাথে করে, সবাই মিলে এক জায়গায় গণনা করা হবে।’










