কক্সবাজারের
নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে ভেসে আসা ট্রলার থেকে উদ্ধারকৃত ১০ জনের মরদেহের
মধ্যে ছয়টি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় পরিবারপ্রতি
২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে এসব মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলাপাড়ার সামশুল আলম প্রকাশের মরদেহ গ্রহণ করেন স্ত্রী রোকেয়া বেগম, চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা এলাকার তারেকের মরদেহ গ্রহণ করেন বাবা জসিম উদ্দিন, শাপলাপুর ইউনিয়নের মিঠাছড়ি গ্রামের শওকত উল্লাহর মরদেহ গ্রহণ করেন ভাই আয়াত উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মোহাম্মদ শাহজাহানের মরদেহ গ্রহণ করেন স্ত্রী হাফিজা বেগম, শাপলাপুর ইউনিয়নের মিঠাছড়ি গ্রামের গণি ওসমানের মরদেহ গ্রহণ করেন মা জহুরা বেগম ও একই ইউনিয়নের নুরুল কবিরের মরদেহ গ্রহণ করেন বাবা মোহাম্মদ হোসান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, উদ্ধারকৃত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ শনাক্ত করে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় দাফনসহ অন্যান্য খরচের জন্য প্রাথমিকভাবে ওই পরিবারগুলোকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, ছয়জনের মরদেহ স্বজনরা শনাক্ত করার পর যাচাই-বাছাই শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য চারজনের মরদেহ মর্গে রয়েছে। হস্তান্তর হওয়া এবং না হওয়া সব মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা করার পর পরিচয় আরো নিশ্চিত হওয়া যাবে। যে ছয়জনের মরদেহ হস্তান্তর হয়েছে, তাদের থানায় এজাহার জমা দিতে বলা হয়েছে। এজাহার পাওয়ার পর মামলা হবে।
ছয়জনের লাশ হস্তান্তরের সত্যতা নিশ্চিত করেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আশিকুর রহমান।










