নেত্রকোনায় এক হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে জেলার বড়বাজার এলাকায় সালতি রেস্তোরাঁর ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ঈসমাইল (১৮) সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের বড়গাড়া গ্রামের আব্দুল বারেক ও কনা আক্তারের ছেলে। এ ঘটনায় আল মামুন নামে অপর এক কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ।

হোটেল কর্মচারীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নেত্রকোনা সদর উপজেলার ছোট গাড়া গ্রামের আবদুল বারেকের স্ত্রী কনা আক্তার ও ছেলে ইসমাইল  জেলা শহরের বড় বাজার এলাকায় খাবার হোটেল সালতিতে কাজ করেন। মঙ্গলবার কাজ শেষে মা কনা আক্তার বাড়ি চলে যান। ছেলে কাজ শেষে হোটেলেই থেকে যায়। 

রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ওই হোটেলের কর্মচারী আল মামুনের সাথে শশা কাটা নিয়ে ইসমাইলের ঝগড়া লাগে। এক পর্যায়ে ইসমাইলকে বেধরক মারপিট করে লাথি মেরে সিঁড়িতে ফেলে দেয় আল মামুন। এতে ইসমাইল গুরুতর আহত হয়। রাতেই তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

খবর পেয়ে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আল মামুনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে, ছেলের মৃত্যুর খবর পেলে মা কনা আক্তার হাসপাতালে যান এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এসময়  কনা আক্তার ছেলে হারানোর শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার সাকের আহমেদ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে।