দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ৬ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে গত শনিবার রাতে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ৫১তম সভায় পৃথক দুটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্যানুযায়ী, সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। আলোচনা শেষে প্রস্তাব দুটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়।
প্রথম প্রস্তাবে সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫-এর ৯৯(২) বিধি অনুসরণ করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন চায়া হয়। একই সঙ্গে উভয় পক্ষের সম্মতিতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত কার্গো কেনার অনুমোদনও চাওয়া হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম হবে জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) মূল্য থেকে শূন্য দশমিক ১৭ ডলার কম। এক্ষেত্রে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে অতিরিক্ত এক কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন চায়া হয়। কার্গোটি চলতি বছরের ২০ ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত। এক্ষেত্রে বিদ্যমান চুক্তিতে উল্লিখিত দরের চেয়ে ভিন্ন দামে এলএনজি কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম হবে জেকেএম মূল্য থেকে শূন্য দশমিক ১০ ডলার কম। এ প্রস্তাবে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসিকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে জাপানের জেরা গ্লোবাল মার্কেটস পিটিই লিমিটেড থেকে এলএনজি কেনা এবং স্বল্প মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটি থেকে এলএনজি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির নীতিগত অনুমোদনের প্রস্তাব সভায় উত্থাপন করা হয়। কমিটি প্রস্তাবটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ-বিষয়ক বিভাগের ভেটিং গ্রহণ করে পরবর্তী সভায় তোলার সিদ্ধান্ত দেয়।










