তাদের সঙ্গে সহযোগিতা কীভাবে আরো বাড়ানো যায় সে চেষ্টা চলছে। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন খাতে চীন কীভাবে আরো বেশি সহযোগিতা দিতে পারে সে বিষয়টি নিয়েও চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতায় চীনের সহযোগিতায় এরই মধ্যে একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পে সহযোগিতা আরো কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায়, সে চেষ্টা চলছে।’

গতকাল স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। দুজনের মধ্যে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে তারা বাংলাদেশ চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। উভয় দেশ দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও কৌশলগত সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে।

সভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন, সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আমিনবাজার পানি শোধনাগার সচল করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। স্থানীয় সরকারের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছে। চীন তিস্তা প্রকল্পে নিজ উদ্যোগে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে তখন বিস্তারিত জানানো যাবে।’

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী ও ভবিষ্যতেও এ সম্পর্ক আরো গভীর হবে।’