বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে সপ্তম দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল ও নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করেছেন সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা। গতকাল এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেননি আন্দোলনকারীরা।
সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিও চলমান রয়েছে। আজ ও আগামীকাল ছুটি থাকায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি থাকবে না।
এদিকে চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে উচ্চ আদালতে এখন পর্যন্ত তিনটি রিট করা হয়েছে। আদালত রিটকারীদের পক্ষে ১০ দিনের রুল জারি করেছেন।
গত ৩০ জুলাই দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন কমিয়ে তিনটি করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর থেকেই আন্দোলন শুরু করে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণও করেন তারা। ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসন বহাল রেখে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। এই আসন বিন্যাস গণমানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে মনে করেন সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।
চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী সদর উপজেলা, চিতলমারী ও মোল্লাহাট নিয়ে বাগেরহাট-১ আসন হবে। আর ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা নিয়ে বাগেরহাট-২ এবং কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে হবে বাগেরহাট-৩ আসন।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে চারটি আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল। তখন চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট ছিল বাগেরহাট-১ আসনে, সদর ও কচুয়া নিয়ে ছিল বাগেরহাট-২ আসন। এছাড়া রামপাল ও মোংলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ এবং মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে ছিল বাগেরহাট-৪ আসন।










