জেলায়
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিএনপির তিন নেতাকর্মী নিহতের ঘটনায় তিনটি হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ড. জান্নাত আরা
হেনরী, অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ
সচিব কবির বিন আনোয়ারসহ ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এনায়েতপুর থানায় অগ্নিসংযোগ ও ১৫ পুলিশ
সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। গত বৃহস্পতিবার রাতে
সিরাজগঞ্জ সদর থানায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা তিনটি দায়ের করা হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রঞ্জু শেখের স্ত্রী মৌসুমী খাতুন, গয়লা মহল্লার নিহত যুবদল কর্মী আব্দুল লতিফের বোন সালেহা খাতুন ও একই মহল্লার নিহত সুমন শেখের বাবা গঞ্জের আলী বাদী হয়ে মামলা তিনটি করেছেন। এসব মামলায় ৪৬৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী। মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কেএম হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক দানিউল হক মোল্লা, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম তালুকদার লাবু, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম সজল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহম্মেদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুর রহমান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রাশেদ ইউসুফ জুয়েল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জাকিরুল ইসলাম লিমন, সাধারণ সম্পাদক সুমন রহমান পীর, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব খোকা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ বিন আহমেদ।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, ৪ আগস্ট সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ছাত্র-জনতা আন্দোলন করছিল। এ সময় আসামিদের নির্দেশ, ইন্ধন বা সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনজনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জ্ঞাত ও অজ্ঞাত ৯০০ ব্যক্তির নামে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।










