আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কেউ হারাতে পারবে না বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের জনগণ। জনগণকে নিয়েই বিএনপির সকল আন্দোলন মোকাবেলা করা হবে। দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কেউ হারাতে পারবে না।’
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি নির্বাচনের আগে আন্দোলন আন্দোলন খেলা করে হরতাল অবরোধ ডাকে, আগুন সন্ত্রাস করে। আগুন সন্ত্রাস করে মানুষকে পুড়িয়ে মারে। বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে, তারা যদি মনে করে সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করবে এটা অবাস্তব সংবিধানবিরোধী।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপি সরকার পতনের দিবাস্বপ্ন দেখছে। আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর শক্তি বিএনপির নেই। বিগত ১৪ বছরে কোন আন্দোলনে বিএনপি সফল হয়নি ভবিষ্যতেও সফল হবে না।’
কৃষিমন্ত্রী বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেন, এ দেশের রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। বিএনপি বলেছিল, পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতে রায় হয়েছে, কোন দুর্নীতি হয়নি। তারা বলেছিল, ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ চালাবে খালেদা জিয়া। কই? ১০ ডিসেম্বর তো চলে গেছে, এখনও দেশ চালাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। খালেদা জিয়া জেলে থাকার কথা। দয়া করে তাকে বাসায় থাকার সুযোগ দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে আবারও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে।
মধুপুর উপজেলার বোকারবাইদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত আউশনারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে আউশনারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইয়াকুব আলী, বাপ্পু সিদ্দিকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, আউশনার কলেজের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ কামরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।










