চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় এ বছর সুপারির ব্যাপক ফলন হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ফলন বাড়াতে সহায়তা করেছে। উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, গত বছরের তুলনায় ফলন প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। এবার ২০ হাজার টন সুপারি উৎপাদনের প্রত্যাশা রয়েছে।
সারা দেশেই হাইমচরের সুপারির কদর আছে। চাঁদপুরের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট, লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন জেলায় হাইমচর থেকে সুপারি সরবরাহ করা হয়। ফলন বেশি হওয়ায় মৌসুমের শুরুতেই বাজারে সরবরাহ চোখে পড়ার মতো। এবার কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন বলেও জানা গেছে।
হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাকিল খন্দকার বলেন, ‘এ উপজেলায় বছরে গড়ে ৫ হাজার টন সুপারি উৎপাদন হয়। তবে এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও পোকার আক্রমণ না থাকায় ২০ হাজার টন উৎপাদনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।’
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার ছয় ইউনিয়নে প্রায় ৩১০ হেক্টর জমিতে সুপারি চাষ হয়ে থাকে।










