ঠাকুরগাঁওয়ে হাসকিং মিলের বয়লার বিস্ফোরণে মা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন দীপ্তি রানী (৪০), তার মেয়ে পূজা দাস (১১) ও ভাতিজা পলক দাস (১২)। 

স্থানীয়রা জানান, শীতের সকালে রোদ পোহাতে বাড়ির পাশে মেয়ে ও ভাতিজাকে নিয়ে বসে ছিলেন দীপ্তি রানী। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার স্বামী সুজন দাস। আচমকা রাস্তের পাশে থাকা হাসকিং মিলের বয়লার বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দীপ্তি রানীর স্বামী সুজন দাস ও এক পথচারী। 

নিহতদের প্রতিবেশী স্বপন দাস বলেন, ‘বয়লারে সমস্যা অনেক দিন থেকে। আমরা বহুদিন থেকে বলে আসছি। তারা কথা শোনেনি। আজ একটা পরিবারের জীবন চলে গেল। আমরা এটার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’ 

ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সারোয়ার হোসাইন বলেন, ‘এখানে এসে আমরা তিনজনের মরদেহ পাই। বয়লারটির ভালভের সমস্যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’ 

ঠাকুরগাঁও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন দাস বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে মিলমালিক পলাতক।’