উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে এক সপ্তাহ ধরে বয়ে যাচ্ছে মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীত তেমন একটা কমেনি। গতকাল জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন তাপমাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জানা গেছে, তাপমাত্রা এক অংকের ঘরে থাকায় সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষি শ্রমিকরা। কনকনে শীত উপেক্ষা করে বোরো খেতে কাজ শুরু করলেও একটানা করতে পারছেন না তারা। কুয়াশায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বোরো খেতও। প্রয়োজনীয় গরম কাপড় না থাকায় শীতে কষ্ট পাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না তারা। এ অবস্থায় কমে গেছে শ্রমজীবীদের রোজগারও। অব্যাহতভাবে শৈত্যপ্রবাহ থাকলেও সরকারি বা বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র না পাওয়ার অভিযোগ তাদের।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বিসিক শিল্প নগরীর কৃষি শ্রমিক মনতাজ আলী জানান, ঠাণ্ডায় ঠিকমতো ধানের চারা রোপণ করতে পারছেন না। ঠাণ্ডায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করতে না পারায় পরিবার নিয়ে কষ্টে রয়েছেন তিনি।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক সুবল চন্দ্র জানান, গতকাল জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী তিন-চারদিন এ অবস্থা চলার পর বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।










