দেশের বাজারে ভালো চাহিদা ও দাম থাকায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচের আমদানি বাড়িয়েছেন আমদানিকারকরা। বন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার ২৯টি ট্রাকে ২৩৯ টন মরিচ আমদানি হয়েছে। তবে আমদানির পরও দেশের বাজারে দাম কমেনি। কিছুদিন ধরেই একই রকম রয়েছে দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি মরিচ ১৭০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম না কমার কারণ হিসেবে আমদানিকারকরা বলছেন, ভারত থেকে বাড়তি দামে কেনার কারণে দেশের বাজারে দাম কমছে না।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে আগে ৮- ১০ ট্রাক কাঁচামরিচ আমদানি হলেও বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে ১৫-২০ ট্রাক আমদানি হচ্ছে। শুধু বৃহস্পতিবারই ২৯টি ট্রাকে ২৩৯ টন মরিচ আমদানি হয়েছে। আর গত ছয়দিনে ৭২টি ট্রাকে ৬১৮ টন আমদানি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরে কাঁচামরিচ কিনতে আসা সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘দেশীয় কাঁচামরিচের সরবরাহ কম ও দাম বাড়তির কারণে বগুড়া থেকে হিলি স্থলবন্দরে আমদানীকৃত মরিচ কিনতে এসেছি। বন্দর দিয়ে প্রচুর পরিমাণে মরিচ আমদানি হচ্ছে। তার পরেও দাম কমছে না।’
কাঁচামরিচ কিনতে আসা আফজাল হোসেন বলেন, ‘দেশের বাজারে আমদানীকৃত মরিচের চাহিদা থাকায় হিলি বন্দরে এসেছি মরিচ কিনতে। কিন্তু বন্দরে মরিচের দাম তো চড়া। ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’
আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। ভারতের বেনারশ থেকে এসব কাঁচামরিচ আমদানি করা হচ্ছে। দেশের বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় কাঁচামরিচের আমদানিও বাড়ছে। কিন্তু দেশের মতো ভারতেও বৃষ্টির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সেখানেই দাম বেড়েছে। এ কারণে আমাদের বাড়তি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। ভারত থেকে প্রতি কেজি মরিচ কিনতে হচ্ছে ৮০-৯০ রুপি দিয়ে। এছাড়া প্রতি কেজিতে ৪০ টাকা শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশের বাজারে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তাতেও আমাদের লোকসান গুনতে হবে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে পণ্যের মান খারাপ হওয়াসহ পচে যাওয়া, ঘাটতির বিষয়টি তো রয়েছে। এখন যদি ভারতের অন্যান্য প্রদেশে নতুন মরিচ উঠতে শুরু করে, সেক্ষেত্রে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।’










