চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আহরণের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৫২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। যদিও এ সময় সংস্থাটি মোট আহরণ করেছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সে অনুযায়ী, নয় মাসে মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকায়।

এ হিসাবে অর্থবছরের প্রথম এনবিআরের রাজস্ব আহরণে ঘাটতির হার লক্ষ্যমাত্রার ২৫ শতাংশেরও বেশি। এছাড়া শুধু মার্চ মাসে সংস্থাটির জন্য আহরণ লক্ষ্যমাত্রা (সংশোধিত) নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬০ হাজার ৫০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর বিপরীতে সংস্থাটির আদায় হয়েছে ৩৩ হাজার ৫২২ কোটি টাকা।

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এনবিআর মোট রাজস্ব আহরণ করেছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকার কিছু বেশি। এ অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের একই সময়সীমায় সংস্থাটির রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে কাস্টমস খাত থেকে মোট রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৮০ হাজার ২২৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। যদিও লক্ষ্যমাত্রায় তা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৩ হাজার ১৯৬ কোটি টাকার কিছু বেশি। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কাস্টমস খাত থেকে এনবিআরের আহরণ বেড়েছে মোট ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ভ্যাট খাত থেকে আহরণ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর আয়কর খাত থেকে মোট আহরণ বেড়েছে ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছিল সরকার। সে অনুযায়ী, লক্ষ্যপূরণ করতে অর্থবছরের শেষ তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) মোট ২ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা আহরণ করতে হবে এনবিআরকে।