খাগড়াছড়ির বিভিন্ন স্থানে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যার পর থেকে বুধবার (৯ আগস্ট) বিকাল পর্যন্ত তেমন বৃষ্টি না
হওয়ায় কোনো কোনো এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। জেলা শহরের পানি নেমে গিয়েছে।
বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করছে মানুষ। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ফাঁকা হতে শুরু করেছে। তবে ভিন্ন
চিত্র দেখা গিয়েছে দীঘিনালা উপজেলায়। কবাখালী ও মেরুং ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে এখনোও পানিবন্দি
রয়েছে মানুষ। কবাখালী ইউনিয়নের ২টি ও মেরুং ইউনিয়নের ৪টি এখনো প্রায় ১৫০ পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে
করেছে।
মেরুং ইউপির চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম লাকী জানান, নিম্নাঞ্চলে
এখনো পানি নামেনি। স্বাভাবিক হতে আরো ২-১ দিন লাগতে পারে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রে যেসব
পরিবার এখনো রয়েছে তাদের মাঝে পানি ও খাবার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
এখনো বন্ধ রয়েছে দীঘিনালা- লংগদু রুটের যান চলাচল। সাজেক
থেকে দীঘিনালা সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ায় পর্যটকেরা ফিরতে শুরু করেছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।
খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুর রহমান
জানান, গত ৬-৭ দিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগের আওতাধীন
বিভিন্ন সড়ক কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ
করে দীঘিনালা, বাঘাইহাট-মারিশ্যা সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও
পানিতে তলিয়েছে সড়ক। তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল টিমের মাধ্যমে সচল রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
এছাড়াও এখন পর্যন্ত পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ জানা য়ায়নি।
প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি সড়কে
যানবাহন ব্যবস্থা সচল রাখতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন
তিনি। এদিকে, বুধবার দিনভর বৃষ্টি পাত না হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আকাশ মেঘলা রয়েছে।
থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।










