আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হয়। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এরই মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ২৯৬ জনের একটি তালিকা তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন তারা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত আসনে বিএনপি পাবে ৩৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ বা ৩৫টি আসন পাবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাবে ১১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১১টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যদি জোট করেন, তাহলে তারা পাবেন ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা একটি আসন। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি পাবে একটি আসন। অন্য ছোট দলগুলো নিজেদের মধ্যে জোট না করলে কোনো আসন পাবে না, জোট করলে তারা পাবে একটি আসন।

এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সংসদের নারী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন রোজার মধ্যে করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। ঈদের আগেই এ নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে চাই আমরা। এছাড়া শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন ঈদের পরে করা হবে।’