এতে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ২০০-২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফটি) গ্যাস যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, যা চলমান গ্যাস সংকট কিছুটা কমাবে। গতকাল সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিউমার্কেট এলাকায় রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এফএসআরইউতে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। দেশী-বিদেশী প্রকৌশলীরা পরিশ্রম করছেন। আশা করছি, রাত থেকেই কিছুটা উন্নতি হবে। প্রায় সাড়ে চারশ এমএমসিএফটি গ্যাস কম পাচ্ছি। দুটি বয়লারের মধ্যে একটি আজ রাতেই চালু হতে পারে। এতে প্রায় ২০০-২৫০ এমএমসিএফটি গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।’
চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে জাতীয় গ্রিড থেকে আনোয়ারা হয়ে চট্টগ্রামে প্রায় ২০০ এমএমসিএফটি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এ সরবরাহ থাকে ২৬০-২৭০ এমএমসিএফটির মধ্যে।’
গত ২১ জুলাই মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়ার পর থেকেই চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। পরে গত শনিবার থেকে সরবরাহ আরো কমে যাওয়ায় সংকট তীব্র আকার ধারণ করে।
এর প্রভাব পড়ে শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সার কারখানা, সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, বেড়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং সিএনজি স্টেশনগুলোয় দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এলাকায় বাসাবাড়ির চুলাও স্বাভাবিকভাবে জ্বলছে না।
কেজিডিসিএলের তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রাম অঞ্চলে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৫০ এমএমসিএফটি। এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি দেখা দেয়ার পর গত ২২ জুলাই জাতীয় গ্রিড থেকে ২৩০ এমএমসিএফটি গ্যাস পাওয়া গেলেও গত কয়েক দিনে তা কমে প্রায় ১৯৪-২০০ এমএমসিএফটিতে নেমে এসেছে।
কেজিডিসিএল কর্মকর্তাদের মতে, জাতীয় গ্রিড থেকে ঢাকা অঞ্চলে সরবরাহ বাড়ানোর কারণে চট্টগ্রামের বরাদ্দ আরো কমে যাওয়ায় বর্তমান সংকট তীব্র হয়েছে। তবে এলএনজি টার্মিনালের একটি বয়লার চালু হলে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।










