হরতালকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটে আওয়ামী
লীগের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষ হয়েছে। এতে জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫) নাম এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই
কর্মী মারা যান।
বিষয়টি বণিক বার্তাকে নিশ্চিত করেছেন
সদর থানার ওসি ওমর ফারুক জানিয়েছেন। এ ঘটনায় সদর উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গন থমথমে অবস্থা
বিরাজ করছে। মোড়ে মোড়ে পুলিশি নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নিহত জাহাঙ্গীর হোসেন লালমনিরহাট সদর উপজেলা
গোকুন্ডা ইউনিয়নে বেড়াভাঙা এলাকার আজিজার রহমানের ছেলে। তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলা
স্বেচ্ছাসেবক লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বলে দাবি করেছেন লালমনিরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক
লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম রাজু ।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন,
‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পৌঁছানোর আগেই বিএনপির নেতাকর্মীরা
পালিয়ে যায়। সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর হোসেন নামে একজন আহত হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
হাফিজুর রহমান বাবলা বলেন, জাহাঙ্গীর হোসেনসহ কয়েকজন ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে আমরা জেনেছি।
তবে কার হামলায় জাহাঙ্গীর হোসেন নিহত হয়েছে,
তা তদন্ত না করে বিএনপির ওপর এককভাবে দোষ দেয়া ঠিক হবে না। তবে আমরা কারও মৃত্যুকে সমর্থন করি না।
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলা
বিএনপির সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলুকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন,
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক রয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার
করা হয়েছে। জাহাঙ্গীর হোসেন হত্যার ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।










