সব ধরনের মাছ ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা
শেষ হচ্ছে আজ রোববার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টায়। এরই মধ্যে নদীতে যাওয়ার সকল প্রস্তুতি
চুড়ান্ত করেছেন জেলেরা।
ঝকঝকে রূপালি ইলিশে ভরে উঠবে নৌকা, এই
আশায় জাল ও নৌকা ঠিক করায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে
হাইমচরের ৭০ কিলোমিটার আয়তনের অভয়াশ্রম নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। মার্চ-এপ্রিল দুই মাস
বন্ধ থাকার পর ১ মে প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে এখানে শুরু হবে মাছ ধরা।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত দুই মাসে জাটকা
রক্ষায় ৭৩৭টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ১৫৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ৩৮
মেট্রিক টন জাটকা জব্দ করা হয়। ৮০ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয় ও সাজা পান ৩৬৮ জেলে।
চাঁদপুরের হরিণা, বড়স্টেশন, পুরানবাজার,
হাইমচর নদী তীরবর্তীসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ইলিশ ধরার জন্য জেলেরা প্রস্তুতি
নিচ্ছেন। কেউ জাল বুনছেন, কেউ নৌকায় রং করছেন বা ট্রলার-নৌকা মেরামত করছেন।
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁদপুরের
মেঘনা ও পদ্মা নদীতে মাছ ধরা বন্ধ ছিল। এ সময় ৪০ হাজার নিবন্ধিত জেলেকে পুনর্বাসনের
চাল দেয়া হয়। তবে নিবন্ধনবিহীন জেলে রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। সাহায্য থেকে বঞ্চিত ছিলেন।
চাঁদপুর সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা
তানজিমুল ইসলাম বলেন, এবার অভিযান সফল হয়েছে। অভিযান সফল করতে যে সব বিভাগের সহযোগিতা
চেয়েছি তা পেয়েছি।
নৌ পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান বলেন, দুই
মাসের অভিযানে সহস্রাধিক জেলেকে আটক করেছি। জাটকা রক্ষায় এবার বেশি অভিযান পরিচালনা
করা হয়েছে।
তবে নৌ পুলিশের সঙ্গে নিয়ম ভেঙে মাছ ধরতে
আসা জেলেদের যোগসাজশের কথা অস্বীকার করেন তিনি।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান,
মাছ ধরতে এখন আর বাধা নেই। জেলেরা উৎসবমুখর পরিবেশে মাছ ধরতে নেমে পড়বেন। আমরা আশা
করছি এবার ইলিশের উৎপাদন বাড়বে।










