প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধে ঝিনাইদহে সৃষ্টি করা হচ্ছে সামাজিক বনায়ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে যশোর সামাজিক বন বিভাগ। প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় ২০২১-২২ অর্থবছরে জিকে প্রধান সেচ খালের ডাউটিয়া সেতু থেকে লাঙ্গলবাঁধ বাজার পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এসব বাগান দেখভাল করছেন ওই এলাকার ৫৭ উপকারভোগী।
জানা গেছে, ১০ বছর পর বাগানের গাছ বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থের ৫৫ শতাংশ লভ্যাংশ উপকারভোগী সদস্যের মাঝে সমভাবে প্রদান করা হবে। এছাড়া ভূমি মালিক ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদকেও সামাজিক বনায়নের নীতিমালার আলোকে লভ্যাংশ দেয়া হবে।
সামাজিক বনায়নের সভাপতি সুজন মিয়া বলেন, ‘জিকে সেচ খালপাড়ে আগে কোনো গাছ ছিল না। সামাজিক বন বিভাগ এখানে গাছ রোপণ করেছে। এতে যেমন এলাকার সৌন্দর্য বেড়েছে, তেমনি খালপাড় ভূমিধস থেকে রক্ষা পাবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, ‘জিকে সেচ খালপাড়ে অন্তত ১৮ প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে। গাছগুলো স্থানীয় লোকজন পরিচর্যা ও পাহারা দিচ্ছে। বন বিভাগের এ ধরনের কর্মসূচির কারণে পতিত জমি সম্পদে পরিণত হবে।’
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘লাঙ্গলবাঁধ এলাকার খালপাড়ের বাগানটি ভূমিক্ষয়, বাঁধ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধে সহায়তা করছে। স্থানীয় কৃষক ও পথিক গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে পারছেন। বাগানটি আর্থসামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক পরিবেশের উন্নয়নও করছে। শৈলকুপা উপজেলায় বন বিভাগের এ ধরনের বনায়ন কর্মসূচি চলমান থাকবে।’










