গতকাল বিকালে ফটিকছড়ির হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে হাজারীখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে যে ঘটনা ঘটেছে, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। এ শিল্পটা আসলে একটা ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প। যারা এ শিল্প পরিচালনা করছেন, এখানে তাদের আরো দায়বদ্ধ ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তাহলে আমরা এটা থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে পারি।’

গ্রিন শিপইয়ার্ড প্রসঙ্গে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘সীতাকুণ্ডে বর্তমানে ছয়টি গ্রিন শিপইয়ার্ড আছে, যেগুলো হংকং কনভেনশনের অনুমোদন নিয়ে করা হয়েছে। আর বাকিগুলো পুরনো পদ্ধতিতে চলছে। সব মিলিয়ে এখানে ২৫টি শিপ রিসাইক্লিং চলছে।’

সরকারের পরিবেশ সুরক্ষার উদ্যোগ তুলে ধরে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আমরা ব্রিকফিল্ডের সঙ্গে বসেছি, বিকেএমইএ, বিজিএমইএ, বিটিএমইএ সবার সঙ্গে বসছি। আমরা চেষ্টা করছি নদীদূষণ, পানিদূষণ, শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ প্রতিটি সেক্টর নিয়ে কাজ করার। প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকটি সেক্টর থেকে আপডেট নিচ্ছেন। তবে এগুলো ঠিক করতে একটু সময় লাগবে।’

এ সময় চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিমসহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।