গতকাল সকালে হাতিরঝিল থানা এলাকা থেকে সৌমেন সাহা নামের ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে ধানমন্ডির মেট্রো শপিং মলে ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীর সঙ্গে ব্যবসায়িক কারণে পরিচয় হয় অভিযুক্ত সৌমেন সাহার। করোনাকালীন তাদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক ও বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ২০২৩ সালে সৌমেন সাহা দুবাই থেকে স্বর্ণ ক্রয়ের কথা বলে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা হাওলাত নেন। পরে গুলশানের পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিং মলে ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লি.’ নামে একটি নতুন দোকান চালুর প্রস্তাব দেন এবং বাদীকে ব্যবসায় পার্টনার বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা নেন সৌমেন। এভাবে বিভিন্ন সময়ে পর্যায়ক্রমে নগদ টাকা ও চেকের মাধ্যমে মোট ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, ‘বিনিয়োগের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও সৌমেন সাহা ব্যবসার কোনো লভ্যাংশ বা হিসাব না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে টালবাহানা শুরু করেন। সর্বশেষ ভুক্তভোগী পুনরায় হিসাব দাবি করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে গুলশান থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। গ্রেফতারকৃতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’










